মোট আক্রান্ত

৫৫,১৪০

সুস্থ

১১,৫৯০

মৃত্যু

৭৪৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৯,৩০৫
  • চট্টগ্রাম ২,৬৬২
  • নারায়ণগঞ্জ ২,৩৩৩
  • গাজীপুর ১,১১৫
  • কুমিল্লা ১,০৩৮
  • কক্সবাজার ৮৮৭
  • মুন্সিগঞ্জ ৮১৮
  • নোয়াখালী ৭২৬
  • ময়মনসিংহ ৪৯১
  • রংপুর ৪৬৯
  • সিলেট ৪৬৫
  • ফেনী ২৪২
  • ফরিদপুর ২৪০
  • গোপালগঞ্জ ২৩৯
  • কিশোরগঞ্জ ২৩৩
  • নেত্রকোণা ২২৫
  • জামালপুর ২০৯
  • নওগাঁ ১৯৪
  • নরসিংদী ১৮৪
  • দিনাজপুর ১৭৯
  • চাঁদপুর ১৭৮
  • মাদারীপুর ১৭৫
  • হবিগঞ্জ ১৭০
  • মানিকগঞ্জ ১৬৫
  • জয়পুরহাট ১৬৩
  • যশোর ১৫৩
  • লক্ষ্মীপুর ১৪২
  • নীলফামারী ১৩৮
  • বগুড়া ১৩৭
  • সুনামগঞ্জ ১৩০
  • বরিশাল ১২৬
  • শরীয়তপুর ১২৫
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১২১
  • চুয়াডাঙ্গা ১০১
  • মৌলভীবাজার ১০০
  • খুলনা ১০০
  • রাজবাড়ী ৯০
  • শেরপুর ৮৭
  • পটুয়াখালী ৮৭
  • কুষ্টিয়া ৮৫
  • রাজশাহী ৮০
  • বরগুনা ৭১
  • কুড়িগ্রাম ৭১
  • রাঙ্গামাটি ৬৬
  • ঠাকুরগাঁও ৬৫
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৬২
  • নাটোর ৫৯
  • ঝিনাইদহ ৫৬
  • ভোলা ৫৫
  • গাইবান্ধা ৫৩
  • টাঙ্গাইল ৫৩
  • পঞ্চগড় ৫২
  • সাতক্ষীরা ৪৭
  • খাগড়াছড়ি ৪৭
  • পাবনা ৪৬
  • বাগেরহাট ৪২
  • সিরাজগঞ্জ ৪০
  • বান্দরবান ৩৯
  • লালমনিরহাট ৩৮
  • পিরোজপুর ৩৪
  • ঝালকাঠি ৩০
  • নড়াইল ৩০
  • মাগুরা ২৯
  • মেহেরপুর
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর
খেলাধুলা

তামিমের রেকর্ড, রেকর্ড হলো বাংলাদেশেরও

tamim ikbal
সিরিজে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির পর তামিম। ছবি: এএফপি

খেলা ডেস্ক: এ ম্যাচ থেকে যত রেকর্ড করা সম্ভব তার প্রায় সবই তামিম একাই করে ফেলেছেন। বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি ভিন্ন সিরিজে একাধিক সেঞ্চুরি হয়েছে। অবশ্য অন্য রেকর্ডটি সেঞ্চুরি নয়, কোয়ার্টার সেঞ্চুরির আগেই হয়ে গেছে তাঁর। তিন ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সফরকারী দলের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি ছিল ড্যারেন লেম্যানের (২০৫)। আগের দুই ম্যাচে ১৮৪ রান করা তামিম সেটা করে ফেলেছেন ইনিংসের দশম ওভারেই।

ওই রেকর্ডের আগের বলেই উদ্বোধনী সঙ্গীকে হারিয়েছেন তামিম। পিচে ভয়ংকর বাউন্স নেই, নেই সুইংয়ের ফোঁস ফাঁস, প্রতিপক্ষের বোলিং লাইন আপেও নেই গতির ঝড়ে বুক কাঁপিয়ে দেওয়া কেউ। এমন পরিস্থিতিতেও ১০ রান করে যখন আউট হচ্ছেন এনামুল হক, নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ৩১ বল! একটি চার আছে, ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মেরেছিলেন। না হলে স্ট্রাইক রেটটা আরও ভয়ংকর দেখাত।

এনামুলের বিদায়ের পর দায়িত্বটা সিরিজে তৃতীয়বারের মতো এসে পড়ল তামিম-সাকিব জুটির ওপর। সে দায়িত্বটা দুজন ভালোভাবেই বুঝে নিয়েছেন। তামিম আগের দুই ম্যাচের মতোই ধীরে সুস্থে ইনিংস গুছিয়েছেন। অন্যপ্রান্তে সাকিব যে খুব একটা ঝড় তুলেছেন তা নয়, তবে স্ট্রাইক রোটেট করেই প্রায় বল প্রতি রান নিয়ে এগোচ্ছিলেন। চিত্রনাট্যটা কেন যেন তাই আগের ম্যাচগুলোর মতোই হলো। ক্রমশ চেপে বসা দ্রুত রান তোলার চাপ সরাতে গিয়ে ৩৭ রানে ফিরে গেলেন সাকিব। ৮১ রানে থামল দ্বিতীয় উইকেট জুটি। আগের দুই ম্যাচের ফর্মটা এ ম্যাচে টেনে আনতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। দলকে দেড় শ পার করে ফিরে গেছেন মুশফিকও (১২)।

সঙ্গীদের আসা যাওয়ার এমন তাড়াহুড়াতেও তামিম ধীরস্থির হয়ে এগিয়েছেন। মাহমুদউল্লাহ উইকেটে নামার পর রান তোলার গতিও বাড়ল। ৩৯তম ওভারের মধ্যেই দুই শ ছুঁয়ে ফেলল বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারের ঝড় তোলার অপেক্ষা তখন। একে তো এ মাঠে গত কিছুদিনের প্রথম ইনিংসের গড় ২৯৬। এক প্রান্তে ভালো ব্যাট করছেন মাহমুদউল্লাহ, অন্যদিকে এরই মাঝে ওয়ানডেতে ১১তম সেঞ্চুরি করে ফেলা তামিম। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। দলের দুই শ ছোঁয়ার পরের বলেই বিদায় নিলেন তামিম! ৭ বল ও ২ ছক্কার ইনিংসটি থেমে গেল ১২৪ বলে।

আগের দুই ম্যাচের কথা মানলে এখানেই থেমে যেতে পারত বাংলাদেশের ইনিংসের গল্প। কিন্তু সাব্বির-মোসাদ্দেককে বসিয়ে রেখে মাশরাফি উঠে এলেন লাইনআপে। সেটাই শেষ ১০ ওভারের রূপটা বদলে দিল। ২৫ বলে ৩৬ রান করলেন অধিনায়ক। ৭ ওভারে ৫৩ রানের জুটিটা মাহমুদউল্লাহকে এনে দিল শেষের ঝড় তোলার দারুণ এক ভিত্তি। শেষ ৪ ওভারে বাংলাদেশ তুলল ৪৮ রান। এর মাঝে ৪৯তম ওভারেই এল ১৯ রান। সাব্বিরের টানা দুই চারের পর শেষ দুই বলে এক ছক্কা ও এক চারে স্কোরকে ২৮৯ রানে নিয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ ওভারে মোসাদ্দেকের চারেই রেকর্ডটা হলো, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের (২৯২) রেকর্ডটি পেরিয়ে গেল বাংলাদেশ।

দলকে তিন শ পার করে তবেই মাঠ ছেড়েছেন মোসাদ্দেক (১১) ও মাহমুদউল্লাহ। কৃতিত্বটা অবশ্য মাহমুদউল্লাহরই বেশি। ৪৯ বলে ৬৭ রান তোলার পথে মেরেছেন ৫ চার ও ৩ ছক্কা। এর মাঝে দ্বিতীয় ছক্কাতেই তুলে নিয়েছেন ৪৪ বলের ফিফটি।

সংবাদ উৎস
প্রথম আলো
ট্যাগ

এমন আরও সংবাদ

Leave a Reply

এছাড়াও এই নিউজ টা পরতে পারেন
Close
Back to top button
Close
Close