ফুলবাড়ীসংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সিডো’র উদ্দ্যোগে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে ৪টি বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

hur collectionকুড়িগ্রাম লাইভ ডেস্ক: ”আমরা কল্যানের জন্য” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে সোস্যাল এন্ড ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (সিডো)’র উদ্যোগে চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। আটিয়াবাড়ী ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওদাবস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়াইলভীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ব চন্দ্রখানা জকার হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদেরকে এই শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করছেন সিডো’র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুল হক। তিনি কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীদেরকে উপদেশ মূলক মজার মজার গল্প ও সবাইকে ভাল মানুষ হওয়ার জন্য আহবান জানান। দেশাত্ববোধ ও সুষ্ঠ জাতি গঠনের মানসিকতা নিয়ে যেন ছাত্র ছাত্রীরা বেড়ে উঠতে পারে সেজন্য শিক্ষকদের যথাযথ দ্বায়িত্ব পালনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন সিডো ২০১০ সাল থেকে বরাবরের মতই বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক ও স্বেচ্ছা সেবামূলক কাজ করে আসছে। মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের কে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করতে পেরে আমরা গর্বিত। পাশাপাশি সকল কন্ট্রিবিউটরদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান ও আগামীতেও পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি স্কুলে এই  শিক্ষা উপকরণ  বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান।

সিডো কি?

সোস্যাল এন্ড ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন সংক্ষেপে (SEDO) সিডো (license No. Kuri-715) ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রকৌশলী  মোঃ আব্দুস সালাম (সুজা) ও প্রকৌশলী মোঃ শফিউল আলম (সেলিম) দুই ভাইয়ের উদ্যোগে সর্বপ্রথম আটিয়াবাড়ি গ্রামে এর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে এলাকাবাসীর সাথে সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দ্যেশ্য শেয়ার করলে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে সবাই সাধুবাদ জানান। এরপর এই গ্রাম থেকেই যাত্রা শুরু। সংগঠনটি শিক্ষা ও দারিদ্র বিমোচনের জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করার ফলে আজকে এই গ্রামের প্রত্যেক ঘরেই শিক্ষার আলোয় আলোকিত। পাশাপাশি দারিদ্র প্রায় ১০% এর নিচে নেমে এসেছে। এখন পুরো উপজেলা জুড়েই এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুস সালাম সুজা বলেন:  যারা অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয় তারা সাড়া জীবন বেচেঁ থাকেতিনি আরও বলেন- কুড়িগ্রামের মানুষজন এখনো দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াই করছে। দারিদ্র্যের ভর নিয়ে কুড়িগ্রাম এখনো শীর্ষেই আছে। কুড়িগ্রামের দরিদ্রতার হার ৬৩%, যা দেশে সর্বোচ্চ। কিন্তু দারিদ্র্য বিমোচন কঠিন বিষয় নয়। আমরা যদি শিক্ষাক্ষেত্র, কৃষিনির্ভর শিল্প, শিল্পায়ন, যোগাযোগ ও বাণিজ্য আর একটু বৃদ্ধি করতে পারি তাহলে আমাদের এই জেলা হবে বাংলাদেশের রোল মডেল। আমরা বিশ্বাস করি সুশিক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠাম উন্নয়নই পারে একটি সমাজকে বদলে দিতে। তাই  সিডো শিক্ষার বিস্তারসহ অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

এমন আরও সংবাদ

Back to top button