মোট আক্রান্ত

৪৭,১৫৩

সুস্থ

৯,৭৮১

মৃত্যু

৬৫০

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৬,২০৩
  • চট্টগ্রাম ২,১৩৮
  • নারায়ণগঞ্জ ১,৯৪৪
  • কুমিল্লা ৭৫৩
  • মুন্সিগঞ্জ ৬৫৮
  • গাজীপুর ৬২৯
  • কক্সবাজার ৫০৮
  • নোয়াখালী ৪৭৮
  • ময়মনসিংহ ৪২৪
  • রংপুর ৪০৯
  • সিলেট ২৯২
  • কিশোরগঞ্জ ২৩৩
  • নেত্রকোণা ২১১
  • জামালপুর ২০৬
  • নরসিংদী ১৭৬
  • ফরিদপুর ১৭২
  • গোপালগঞ্জ ১৬৮
  • হবিগঞ্জ ১৬৫
  • ফেনী ১৫৩
  • যশোর ১৪৪
  • লক্ষ্মীপুর ১৪০
  • বগুড়া ১৩৭
  • জয়পুরহাট ১৩৫
  • মানিকগঞ্জ ১৩৪
  • শরীয়তপুর ১১৯
  • দিনাজপুর ১১৭
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১১৬
  • মাদারীপুর ১১৫
  • চাঁদপুর ১০৯
  • মৌলভীবাজার ১০৩
  • সুনামগঞ্জ ১০৩
  • নওগাঁ ১০২
  • নীলফামারী ৯০
  • চুয়াডাঙ্গা ৮৯
  • শেরপুর ৮৬
  • খুলনা ৭৩
  • বরিশাল ৭০
  • রাজবাড়ী ৬৮
  • রাঙ্গামাটি ৬৫
  • কুড়িগ্রাম ৬৪
  • ঠাকুরগাঁও ৬১
  • রাজশাহী ৫৯
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৪
  • নাটোর ৫৩
  • টাঙ্গাইল ৫২
  • কুষ্টিয়া ৫১
  • ঝিনাইদহ ৪৮
  • বরগুনা ৪৪
  • সাতক্ষীরা ৪৩
  • গাইবান্ধা ৪০
  • পটুয়াখালী ৪০
  • পঞ্চগড় ৪০
  • পাবনা ৩৮
  • লালমনিরহাট ৩৬
  • খাগড়াছড়ি ৩৫
  • ঝালকাঠি ৩০
  • বান্দরবান ২৯
  • নড়াইল ২৬
  • মাগুরা ২৫
  • পিরোজপুর ২৪
  • ভোলা ২৩
  • সিরাজগঞ্জ ১৯
  • বাগেরহাট ১৮
  • মেহেরপুর
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর
চিলমারীদেশজুড়ে
Trending

তিন মাস তেলশূন্য থাকার পর মেঘনাতে তেল, প্রথম দিনই বিক্রিঃ এক লাখ ছয় হাজার লিটার তেল।

চিলমারি নদী বন্দর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ভাসমান তেল ডিপো যমুনা ও মেঘনা তিন মাস ধরে তেলশূন্য থাকার পর মেঘনা তেল ডিপোতে তেল এলেও অজ্ঞাত কারণে যমুনা তেল ডিপোটি তেলশূন্য রয়ে গেছে। তেল আসার পর রবিবার ১ম দিনে নিমিষেই বিক্রি হয়ে যায় ১ লাখ ৬ হাজার লিটার তেল। এ যেন তেলের জন্য হাহাকার।

অজানা কারণে তেল ডিপো দুটি গত তিন মাস ধরে তেলশূন্য হয়ে পড়ে আছে। শনিবার মেঘনা ডিপোতে তেল এলে রবিবার ১ম দিনই ১ লাখ ৬ হাজার লিটার তেল বিক্রি হয়ে যায়।

মেসার্স জয়নাল অ্যান্ড ব্রাদার্স এজেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. জয়নাল আবেদীন জানান, এ অঞ্চলে সেচ মৌসুম ছাড়াও প্রচুর তেলের চাহিদা রয়েছে। ভাসমান তেল ডিপো দুটিতে নিরবচ্ছিন্ন তেল সরবরাহের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যমুনা তেল ডিপোর ধারণক্ষমতা বেশি থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ ডিপোটি এলাকার অধিকাংশ তেলের চাহিদা পূরণ করে আসছে। অজানা কারণে যমুনা তেল ডিপোটি গত তিন মাস ধরে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখায় এলাকায় তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। মেঘনা তেল ডিপোতে অনিয়মিতভাবে তেল এলেও তাদের তেল ধারণক্ষমতা কম থাকায় চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। এজন্য যমুনা তেল ডিপোতে তেল সরবরাহ জরুরি।

এ ব্যাপারে যমুনা অয়েল কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাফাজ্জল হোসেন বলেন, তেল সরবরাহের বিষয়ে তিনি ওপর মহলে জানিয়েছেন, তেল আসবে।

আরও পড়ুন:কাবাঘরের জমিনটুকু হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম জমিন

মেঘনা তেল ডিপোর ডিপো সুপার মো. আবু সাইদ বলেন, প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি কার্যক্রম ঠিক রাখতে চিলমারী ডিপোনির্ভর তেলের বাজার ঠিক রাখা উচিত। সে কারণে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কোম্পানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। শনিবার তেল এলে রবিবারই ১ লাখ ৬ হাজার লিটার তেল বিক্রি হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ভাসমান বার্জে তেল ডিপো স্থাপন করে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি। এসব ডিপো থেকে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও লালমনিরহাট জেলায় তেল সরবরাহ করা হয়। কয়েক বছরের মাথায় পদ্মা তাদের বার্জটি মেরামতের অজুহাত দেখিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নেয়। এর পর থেকেই মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি এ অঞ্চলে তেল সরবরাহ করে আসছে। মেঘনা তাদের বার্জটি সুবিধা মতো জায়গায় নিতে না পারায় এবং তেল ধারণক্ষমতা কম থাকায় তাদের বিক্রি কমে যায়। এতে যমুনা কোম্পানির তেল বিক্রি বেড়ে যায়।

ট্যাগ

এমন আরও সংবাদ

Back to top button
Close
Close