মোট আক্রান্ত

১৫৬,৩৯১

সুস্থ

৬৮,০৪৮

মৃত্যু

১,৯৬৮

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • চট্টগ্রাম ৮,০৩৫
  • নারায়ণগঞ্জ ৫,১৪৮
  • কুমিল্লা ৩,৬৭০
  • গাজীপুর ৩,২৭০
  • ঢাকা ৩,১০৬
  • কক্সবাজার ২,৫০৬
  • সিলেট ২,২৫০
  • নোয়াখালী ২,১৮৯
  • ফরিদপুর ২,০৪৭
  • মুন্সিগঞ্জ ১,৯৪৪
  • ময়মনসিংহ ১,৮৮৯
  • খুলনা ১,৭৮৬
  • বরিশাল ১,৫৫৭
  • নরসিংদী ১,২৮০
  • কিশোরগঞ্জ ১,০৮৩
  • সুনামগঞ্জ ৯৫৯
  • চাঁদপুর ৯১৯
  • লক্ষ্মীপুর ৮৮৬
  • রংপুর ৮৩৫
  • ফেনী ৭৮৬
  • মাদারীপুর ৭৩৮
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৭৩৩
  • গোপালগঞ্জ ৬৮৪
  • টাঙ্গাইল ৬২৮
  • রাজশাহী ৬১০
  • হবিগঞ্জ ৬০৫
  • শরীয়তপুর ৫৮১
  • মানিকগঞ্জ ৫৭৬
  • দিনাজপুর ৫৬৩
  • যশোর ৫৫৫
  • জামালপুর ৫৪২
  • কুষ্টিয়া ৫৩৫
  • নেত্রকোণা ৫১১
  • রাজবাড়ী ৪৫৭
  • নওগাঁ ৪৫২
  • পাবনা ৪৪৭
  • সিরাজগঞ্জ ৪৩৯
  • মৌলভীবাজার ৪১৪
  • জয়পুরহাট ৩৬৬
  • নীলফামারী ৩২৭
  • বান্দরবান ৩১২
  • ভোলা ৩০৩
  • শেরপুর ২৪৭
  • বরগুনা ২৪৬
  • খাগড়াছড়ি ২৩৭
  • গাইবান্ধা ২৩৬
  • পিরোজপুর ২১৪
  • চুয়াডাঙ্গা ২১২
  • পটুয়াখালী ২০৪
  • ঠাকুরগাঁও ১৯৬
  • ঝালকাঠি ১৯৩
  • নাটোর ১৬৭
  • বাগেরহাট ১৬৬
  • ঝিনাইদহ ১৬৫
  • সাতক্ষীরা ১৫৯
  • নড়াইল ১৫৩
  • বগুড়া ১৩৭
  • পঞ্চগড় ১৩২
  • কুড়িগ্রাম ১৩০
  • রাঙ্গামাটি ১১৬
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১০১
  • মাগুরা ৯৭
  • লালমনিরহাট ৭৬
  • মেহেরপুর ৫৯
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর
ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকেভ্রমণ

জাকারিয়া স্ট্রিটে সুফিয়ার পায়া নেহারি কাহিনী

কলকাতার পথে পথে

কলকাতার পথে পথেশাকিল হোসাইন: কলকাতার খাবার নিয়ে লিখতে গেলে ৭ খন্ড পূর্ব-পশ্চিম ভলিয়ম হয়ে যাবে। যত বৈচিত্র্যময় জাতি সম্প্রদায়, তার চেয়ে বেশী বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার। তাই ওই দিকে গেলাম না। বরং হাতের কাছে যা অন্যরকম, তাই নিয়ে একটু হাত ঘোরানো।

নাখোদা মসজিদের মেইন গেটের ঠিক উল্টো দিকে হোটেল সুফিয়া আর আদি আমিনিয়া। সুফিয়ার পায়া নেহারির আওয়াজ কলকাতা জুড়ে। একটা বনেদি ব্যাপার আছে।

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস, কেবল এই শীতের চার মাস পাওয়া যায় সুফিয়ার নেহারি। সারা রাত ধরে রান্না করা মশলাদার এই মাংসের স্যুপ বছরের অন্য সময় হজম করা কঠিন।

এর স্বাদ নিতে চাইলে দোকানে পৌঁছাতে হবে সকাল সাতটার মধ্যে। আটটা থেকে বিক্রি বন্ধ হয়ে যায় নেহারির। চিন্তা করেন, শীতের ভোররাতে ৪ টার আগে লাইন ধরে লোকজন!

যেহেতু পঁচা গরম, নেহারি নেই। থাকলেও খাবার সাহস হতো না কারন, পেটে ঢাক গুরগুর আওয়াজ দিচ্ছে।

ভ্রমনসঙ্গী ছোটভাই আলীকে নিয়ে ঢুকে পড়লাম সুফিয়ায়। জিজ্ঞাসার উত্তরে ওয়েটার নানা রকম মাংসের পদের নাম আওড়ালো। সাথে সংখ্যালঘু একটা আইটেম, মাছলি। মাছের লাল তেল ভুনা দেখে সাহস করলাম না।

বেশীর ভাগ মুসলিম হোটেলে ওয়েটারগুলো বুড়ো। অন্য কাজ করার শক্তি আর নেই, তাই কিছুটা সহজ হোটেলের কাজে। তাদের উদ্যমে তাই কিছুটা ভাঁটা, কর্মে অনীহা।

টিকিয়া কাবাব আর ঘনডাল দিয়ে কোনোমতে পেট ঠান্ডা করলাম দুজনেই। ৪ টা মাংসের টিকিয়া, ডাল আর ভাত, দুইজনের বিল মাত্র ৭৮ রুপি। টিকিয়া কাবাবের স্বাদ তেমন আহামরি না।

বেরিয়ে হাঁটা দিলাম মেইন রোড অর্থাৎ বেব্রোন রোড আর ক্যানিং স্ট্রিট সংযোগের দিকে। এলাকাটা নামকরা, নানা কারনেই বিখ্যাত।

নাখোদা মসজিদ, আহলে হাদিস লাল মসজিদ, ইহুদীদের মেগান ডেভিড সিনাগগ সহ মোট তিনটি ইহুদি মন্দির, বেশ কটি হিন্দু মন্দির, ক্যাথিড্রাল, আর্মেনিয়ান চার্চ, চাইনিজ টেম্পল, শিখ গুরুদুয়ারা সহ অনেক ধর্মের উপাসনালয় মোটামুটি একই এলাকায় ছোঁয়া দুরত্বে অবস্থিত। অর্থাৎ হিন্দু, মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্টান, শিখ, চাইনিজ, পার্সি, জৈনধর্ম সবাই একই পথের পথিক এটুকু জায়গায়।

বিকেলের পিক টাইমে এত মানুষ রাস্তায় দেখে মাথা খারাপের জোগাড়! গরমে ডিহাইড্রেসন আর পেট খারাপের কারনে শরীরের সমস্ত শক্তি নিঃশেষ প্রায়। এত ভীড়েও ট্যাক্সি পেয়ে গেলাম ৪/৫ টা জিজ্ঞাসা করার পরই। ভাড়াও খুব বেশী না। সেখান থেকে হোটেলে প্রায় ৫ কিলোমিটার ১০০ রুপি।

রওয়ানা দিলাম সাবেক ব্রিটিশরাজের তৈরী ঐতিহাসিক সড়ক দিয়ে। পাশেই লাল রঙা পুরনো ইহুদি উপাসনালয় মেগান টেম্পল স্থির কালের সাক্ষী হয়ে।

মাধ্যম
হুগলীর তীরে, হাওড়া ব্রীজেকলকাতার নাখোদা মসজিদ ও এক দেশীভাই
ট্যাগ

এমন আরও সংবাদ

Back to top button
Close
Close