চিলমারী

চিলমারীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর আত্মসাতের চেষ্টা অতপর…..

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধিনের ঘর আত্মসাতের চেষ্টা। অতপর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেতে ঘর ফিরিয়ে পেল সুবিধাভুগি। এলাকায় তোলাপাড়। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ।
জানা গেছে, চলতি বছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় যার ‘জমি আছে ঘর নেই’ তাদের নিজ জমিতে সরকারী খরচে ঘর নির্মান করা হবে। এই প্রকল্পের অধীনে চলতি বছরে চিলমারী উপজেলায় ৭২টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। এরই পেক্ষিতে উপজেলা নয়ারহাট ইউনিয়নে ১০টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। এবং উক্ত ইউনিয়নের সুবিধাভুগির মাঝে তা বিতরন করা হলে উত্তরফেইকা এলাকার রেফাজ উদ্দিনের মেয়ে সুবিধাভুগি নাজমা বেগম কে তার ঘরের মালামাল না দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদীতভাবে অন্য স্থানে নিয়ে যায় বলে ইউপি সদস্য শওকত আকবর এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। পরে বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা জানতে পেরে তৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহন করেন। এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৎক্ষনিক ভাবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করেন। এলাকার বেশ কিছু লোকজন জানান উক্ত ইউপি সদস্য নাজমার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিল তা না দিতে পারায় ঘরের মালামাল আত্মসাতের চেষ্টা করেছিলেন পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঘর ফিরিয়ে পাচ্ছেন। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শওকত আকবর জানান বিষয়টি কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে নাজমা তার ঘরের মালামাল পেয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা জানান নয়ারহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য শওকত আকবর নয়ারহাট ইউনিয়ন এর সব সুবিধাভোগীর ঘরের মালামাল বুঝিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকৃত উপকারভোগীর বাসায় ঘরের মালামাল না দিয়ে অন্য ব্যক্তির ঘরে মালামাল পৌছে দেয়। এটা সরকারী নির্দেশ অমান্য করার সামিল। তাই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কারন দর্শানো হয়েছে।

এমন আরও সংবাদ

Back to top button
Close
Close