কুড়িগ্রামদেশজুড়ে

৬ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় কুড়িগ্রাম

শহীদদের স্মরণে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক

 

সুজন মোহন্তঃ

আজ ৬ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস । ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে কুড়িগ্রামকে হানাদার মুক্ত করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না আসলেও এ অঞ্চলে সেদিন উড়েছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা।
‘৭১ সালের এই দিনে মুক্তিবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হাই সরকারের নেতৃত্বে ৩৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধার একটি দল বিকাল ৪টায় কুড়িগ্রাম শহরে প্রবেশ করেন। এরপর তারা নতুন শহরের ওভার হেড পানির ট্যাংকের উপরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কুড়িগ্রাম জেলার মানুষের রয়েছে গৌরবউজ্জ্বল ভুমিকা।

 

১৯৭১ সালে কুড়িগ্রাম জেলা ছিল ৮টি থানা নিয়ে গঠিত একটি মহকুমা। মুক্তিযুদ্ধের সময় কুড়িগ্রাম জেলার অর্ধেক অংশ ছিল ৬নং সেক্টরে। আর বাকি অংশ ছিল ১১নং সেক্টররের অধীনে। শুধু ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী থানা ছিল মুক্তাঞ্চল। সেখানেই চলতো মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ।
‘৭১ এর ২০ এপ্রিল কুড়িগ্রাম শহর দখল করে নেয়। এর জুলাই থেকে মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে গেরিলা যুদ্ধ করে। ১৩ নভেম্বর উলিপুরের হাতিয়ায় পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা চালায়। ১৪ নভেম্বর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ষষ্ঠ মাউন টেন ডিভিশনের সহযোগিতায় ভুরুঙ্গামারী, ২৮ নভেম্বর নাগেশ্বরী, ৩০ নভেম্বর সমগ্র উত্তর ধরলা এবং ৬ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলা হানাদার মুক্ত করে।
দিবসটি পালন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাব সহ বিভিন্ন সংগঠন র্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

এমন আরও সংবাদ

এছাড়াও এই নিউজ টা পরতে পারেন

Close
Back to top button
Close
Close