জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

বঙ্গবন্ধুর নৌকা নিয়ে লড়তে চান বীরবিক্রম শওকত আলী

সাওরাত হোসেন সোহেল: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিট পেতে দৌড়ঝাঁপে এগিয়ে আছেন ৭১’বীর সৈনিক চিলমারীর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গন মানুষের নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম। এ ল্েয এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত কুড়িগ্রাম-৪ আসন। মনোনয়নের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যেও বিবেচনায় রয়েছেন শওকত আলী সরকার। দীর্ঘদিন থেকে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। সুখে দুঃখে সব সময় ছিলেন নেতাকর্মীদের পাশে। তার প্রচেষ্টায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদ নৌকা মার্কার প্রার্থী জয় লাভ করেন। মানুষজনও সুখে দুঃখে পাশেই পান তাকে। তাই চিলমারীবাসী দাবি শওকত আলী সরকার বীর বিক্রমকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে। তার নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত। তিনি এলাকার শিাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। এ ব্যাপারে শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম বলেন, বঙ্গবন্ধুর নৌকা নিয়ে আমি কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে লড়তে চাই। এলাকাবাসীর স্বপ্নও তাই। দলের কাছে আমার চাওয়া ত্যাগী নেতা হিসেবে দল যেন আমাকে মূল্যায়ন করে। তিনি এক কর্মবীর, সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, একজন আদর্শবান ব্যাক্তি। নিজ মেধা ও ব্যবস্থাপনা যোগ্যতা গুনে একজন দ সমাজ সেবক ও উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে উপজেলা বাসীর মন জয় করতে তিনি সম হয়েছেন বলেই ৪র্থ বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৪৮ সালের উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের দণি ওয়ারী মৌজা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মরহুম আলহাজ্ব এজাব উদ্দিন সরকার মা মরহুমা সরিতন নেছা। ১৯৬৯ সালে কুড়িগ্রাম কলেজ থেকে বি-কম পাশ করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষন শুনে তিনি ১১নং সেক্টরের অধীনে বিভিন্ন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। যুদ্ধে তা বিশেষ অবদান ও গুলিবৃদ্ধ হওয়ায় সম্মান স্বরুপ বাংলাদেশ সরকার গেজেটের মাধ্যমে শওকত আলী সরকারকে বীরবিক্রম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৮৪ ইং সাল পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৫ইং সাল থেকে ৪ বার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অদ্যবধি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বিভিন্ন অবদান ও সফলতার কারনে সরকারী ও বে-সরকারী ভাবে একাধিক বার সংবর্ধিত করা হয়েছে। এলাকাবাসী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন সফল এমপি হিসাবে দেখতে চায়। তিনি জানান এলাকার প্রতিটি গ্রামে উঠান বৈঠক, সভা, সমাবেশ করে যাচ্ছি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জনগন আমার সঙ্গে রয়েছে। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি দলীয় মনোনয়ন পেলে আওয়ামী লীগের মুখ উজ্জ্বল করবো। সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করবো।

ট্যাগ

এমন আরও সংবাদ

Close
Close