জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

নির্বাচনী হালচাল: কুড়িগ্রাম-৪

জেলা প্রতিনিধি  কুড়িগ্রামকুড়িগ্রাম-৪ আসনটি ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে। চিলমারীর ৬টি, রৌমারীর ৬টি এবং রাজিবপুরের ৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসন। আওয়ামী লীগের শওকত হোসেন ১৯৭৩ সালে, ২০০৮ সালে জাকির হোসেন এবং ১৯৭৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল হক ও ১৯৮৬ সালে ন্যাপের প্রার্থী নাজিমউদ্দৌলা নির্বাচিত হয়। পরে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল নির্বাচনে হেট্রিক করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম হোসেন।

শেষমেশ ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির একাশং আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জেপি (বাইসাইকেল প্রতীক) প্রার্থী রুহুল আমিন।

এই আসন থেকে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশায় যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, আওয়ামী লীগের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম, রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জাকির হোসেন, রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিনু, রৌমারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, সুপ্রিম কোর্টের অ্যাড. শেখ জাহাঙ্গীর আলম, চর শৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান কে.এম ফজলুল হক, চিলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রহিমুজ্জামান সুমন, রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী, রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল আলম ও অধ্যক্ষ ফজলুল হক মনি।

কুড়িগ্রামে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির পর শক্তিশালী দল ইসলামী আন্দোলন। তারাও ৪টি আসনেই প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কুড়িগ্রাম-১ আসনে জাসদের আনছার আলী ইনু, ইসলামী আন্দোলনের আনছার আলী রয়েল ও আব্দুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ইসলামী আন্দোলনের সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা মোকছেদুর রহমান, জাসদের এমদাদুল হক এমদাদ, ছলিমুল্লাহ ছলি, কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে বাসদের আবুল বাশার মঞ্জুসহ কয়েকটি দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা পোস্টার ও বিলবোর্ড দিয়ে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল বলেন, দলের সভানেত্রী নির্বাচনের স্বার্থে যে সিদ্ধান্তই নেবেন আমরা জেলা আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়েই কাজ করব। তবে আমরা আসা করি নেত্রী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার স্বার্থে হলেও অতন্ত কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাফর আলীকে মনোনয়ন দেবেন।

জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব রেজাউল করিম রেজা জানান, জেলা জাতীয় পার্টির মধ্যে কোনো কোন্দল না থাকায় দলের চেয়ারম্যান যাকেই মনোনয়ন দিক ৪টি আসনেই জাতীয় পার্টি জয়লাভ করবে।

এছাড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা জানান, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি আমরা। নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে কুড়িগ্রামের ৪টি আসনেই বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচিত হবে।

সংবাদ উৎস
Jago News
ট্যাগ

এমন আরও সংবাদ

Close
Close