জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

নির্বাচনী হালচাল: কুড়িগ্রাম-৩

লাঙ্গলের দুর্গে হানা দিতে মরিয়া নৌকা

কুড়িগ্রাম-৩ আসনটি একটি মাত্র উপজেলা উলিপুর নিয়ে গঠিত। এখানে একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩ হাজার ১৮০ জন। এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের দু’জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে কানাই লাল সরকার এবং ১৯৯১ সালে আমজাদ হোসেন তালুকদার আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হন।

জেলা প্রতিনিধি  কুড়িগ্রাম কিন্তু ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে চলে যায়। পরে ১৯৭৯ সালে একেএম মাইদুল ইসলাম বিএনপি ও ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে জাতীয় পার্টি থেকে মতিউর রহমান নির্বাচিত হয়।

এরই মধ্যে একেএম মাইদুল ইসলাম আবারও জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ২০০৮ সালে ভোটে এবং ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন।

চলতি বছর তিনি মারা গেলে এই আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ডা. আক্কাছ আলী সরকার আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক এমএ মতিনকে পরাজিত করেন।

এই আসন থেকে আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য লবিং করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতি শিউলী, সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন তালুকদার ও তার ছেলে সাজেদুর রহমান তালুকদার ও অধ্যাপক এমএ মতিন।

২০০৮ সালে অধ্যক্ষ নাসিমা বানু ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে মতি শিউলি দলের মনোনয়ন পেলেও মহাজোটের কারণে মাঈদুল ইসলামকে আসনটি ছেড়ে দিতে হয়। এবারও জোটগত কারণে আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয় কিনা এ নিয়ে দলের নেতা কর্মীরা শঙ্কিত।

তবে রংপুরের শিল্পপতি সনিক প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যন ডা. আক্কাছ আলী উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এরশাদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হন। ফলে ধারণা করা হচ্ছে আগামী নির্বাচনেও ডা. আক্কাছ আলীই দলের প্রার্থী হচ্ছেন।

সংবাদ উৎস
Jago News
ট্যাগ

এমন আরও সংবাদ

Close
Close