জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

নির্বাচনী হালচাল: কুড়িগ্রাম-২

জেলা প্রতিনিধি  কুড়িগ্রামকুড়িগ্রাম-২ আসনটি ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। আসনটি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার একটি পৌরসভা, ৮টি ইউনিয়ন, রাজারহাটে ৭টি ইউনিয়ন এবং ফুলবাড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৫ জন। সদর আসন হওয়ায় সব দলের কাছেই গুরুত্ব বহন করে এই আসনটি।

এখান থেকে একবারই আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে। ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়া উদ্দিন আহমদ নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৯ সালে বিএনপি থেকে তাজুল ইসলাম চৌধুরী নির্বাচিত হন। পরে বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত হন তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

২০০৮ সালে আবারও তিনি বিএনপি থেকে নির্বাচন করেন। তবে সেবার জয়লাভ করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। পরে ২০০৮ সালে এরশাদের ছেড়ে দেয়া আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাফর আলীর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন তাজুল ইসলাম চৌধুরী। পরবর্তীতে পুনরায় জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন তিনি এবং আওয়ামী লীগ আসনটি ছেড়ে দিলে ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি এমপি নির্বাচিত হন।

এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনে তাজুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটিতে আগামী সংসদ নির্বাচনে জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পাওয়ার আশা করছেন জাফর আলী। এছাড়াও এই আসন থেকে মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন- সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আ.ম.সা.আ. আমিন (অব.), জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল, সহ-সভাপতি চাষী করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন মঞ্জু, পিপি অ্যাড. আব্রাহাম লিংকন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাড. রুহুল আমিন দুলাল ও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. হামিদুল হক খন্দকারে

এদিকে হঠাৎ জেলা আওয়মী লীগের সহ-সভাপতি পনির উদ্দিন আহমদের নাটকীয়ভাবে জাতীয় পার্টিতে যোগদানের ফলে নির্বাচনের সমিকরণ অনেকটাই জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা।

অপরদিকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেতে তাজুল ইসলাম চৌধুরীর ভাই সফিকুল ইসলাম ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামের নামও শোনা যাচ্ছে।

সংবাদ উৎস
Jago News

এমন আরও সংবাদ

Back to top button