দেশজুড়ে

বয়স্ক ভাতা ও দলিত সম্প্রদায়

প্রিয়াংকা চৌহান, কমিউনিটি ফেলো (রেডিও সারাবেলা, গাইবান্ধা)

বার্ধক্য; একজন মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এ বয়সে একজন বয়স্ক নারী বা পুরুষের ব্যবহার শিশুর মতো। কিন্তু দলিত সম্প্রদায়ের নারীদের জীবনের এ অধ্যায় যেনো কন্টকবিশিষ্ট। এসময়ই তাদের মুখোমুখি হতে হয় আর্থিক সংকটের; ফলে সমাজের মূলধারা থেকে পিছিয়ে পড়ছেন অনেকে। আর এ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে গাইবান্ধা জেলার ১শ’ ৭৬ জন দলিত সম্প্রদায়ের বয়স্ক নারীকে দেয়া হচ্ছে বয়স্ক ভাতা। যা শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়, আশার আলো হয়ে এসেছে জেলার এসব নারীদের জীবনে। এতে পরিবারসহ নিজের চাহিদা পূরণ করছেন তারা। আমরা কথা বলেছিলাম, ওই সম্প্রদায়ের গংগাজলি, কবিতা ও রাধা রানীর সাথে। তারা জানান, স্বামী হারানোর পর নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়েই চলে সংসার। তবে, কালের বিবর্তনে সক্ষমতা হারিয়ে আজ উপার্জনে অক্ষম তারা। এ ভাতাই এখন বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। তবে, দলিত সম্প্রদায়ের সকল নারী পাচ্ছেন না এ সুবিধা। তাই এ ভাতার আওতায় অর্ন্তভুক্তির দাবি প্রান্তি ও অঞ্জলী বাশঁফোর। এ প্রসঙ্গে আমাদের কথা হয়, জেলা সমাজ সেবা অফিসার এমদাদুল হক প্রামানিকের সাথে। তিনি জানান, প্রতি অর্থবছরে বাড়ানো হয় বয়স্ক ভাতাভোগী নারীদের সংখ্যা। তাই পর্যায়ক্রমে আগামী অর্থবছরে ভাতাভোগীদের সংখ্যা বাড়ানোর আশ্বাস দিলেন তিনি। তবে, সরকারী সহযোগিতাতেই কি এগিয়ে যেতে পারবেন দলিত সম্প্রদায়ের নারীরা? এমন প্রশ্ন সকলের মনে। এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ের সহযোগিতা একান্তভাবে প্রয়োজন বলে মনে করছেন গাইবান্ধার সচেতনমহল।

এমন আরও সংবাদ

Close
Close